নিউইয়র্কে ‘গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস’ পালিত

Print Friendly

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আবাস এবং বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারীদের জন্যে পর্যাপ্ত ত্রাণ সহাতার পাশাপাশি মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে শত শত মানুষের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বড় ধরনের এ শো-ডাউনের আয়োজন করে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটি।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভিনদেশীরাও ছিলেন।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান বর্বরতায় ছবি সংবলিত পোস্টার, ব্যানার আর প্লেকার্ড হাতে লোকজনের এ সমাবেশ সর্বস্তরের কূটনীতিক ও ট্যুরিস্টদের দৃষ্টি কাড়ে। কৌতুহলী ট্যুরিস্টরা অবাক বিস্ময়ে জানতে চান যে, ‘এখনও কেন জাতিসংঘ নির্যাতনকারীদের দমনে পদক্ষেপ নেয়নি। তাহলে জাতিসংঘের কাজ কি?’

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন এডভোকেট এন মজুমদার, কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান চৌধুরী, টিপু সুলতান, আব্দুস শহীদ, গিয়াস আহমেদ, রুহুল আমিন, লুৎফর রহমান লাতু, মফিজউদ্দিন, মহিউদ্দিন ইউসুফ, শাহ শহীদুল হক সাঈদ, ফারুক হোসেন মজুমদার, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল আলম, আজমল হোসেন কুনু প্রমুখ।

রোহিঙ্গাদের জন্যে স্থায়ী আবাস প্রতিষ্ঠা এবং দেশত্যাগীদের যথাযথ পুনর্বাসন দাবিতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করে বিভিন্ন স্লোগান দেয়া হয়। রোহিঙ্গাদের সাথে বর্বরতা চালানোকারিদের মানবতাবিরোধী অপরাধী হিসেবে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করার দাবিও জানানো হয।

বাংলাদেশে ঢুকে পড়া রোহিঙ্গাদের থাকা-খাবারের পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি অনুরোধ জানানো হয় এ কর্মসূচি থেকে। গত দুই সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনেসহ মোট ১০টি স্থানে প্রবাসীদের বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হল রোহিঙ্গা ইস্যুতে। তবে মঙ্গলবারের কর্মসূচিটি ছিল সবচেয়ে বড়।