ব্যাংকঋণের সুদহার গ্রাহককে না জানিয়ে বাড়ানো যাবে না

Print Friendly

গ্রাহককে না জানিয়ে ব্যাংকঋণের সুদহার বাড়ানো যাবে না। সুদহার বাড়ানোর কারণে কোনো গ্রাহক যদি তার ঋণ বা বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটাতে চান, তাহলে এক মাসের মধ্যে অতিরিক্ত ফি ছাড়াই তা পরিশোধের সুযোগ দিতে হবে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস বিভাগ থেকে জারিকৃত এক সার্কুলালে এ কথা বলা হয়েছে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (২০১৩ পর্যন্ত সংশোধিত)-এর ৪৫ (১) অনুচ্ছেদের আওতায় ২০১৪ সালের ১৩ জুলাই জারিকৃত ‘গাইডলাইনস ফর কাস্টমার সার্ভিসেস অ্যান্ড কমপ্লেইন্ট ম্যানেজমেন্ট’ সার্কুলার পরিবর্তন করে নতুন এ সার্কুলার জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জুলকার নায়েন স্বাক্ষরিত সার্কুলারটির অনুলিপি দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে তিনটি নির্দেশনা পরিপালন করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো- মেয়াদি ঋণের সুদহার (ইসলামী ব্যাংকের পরিভাষায় বিনিয়োগের ওপর মুনাফার হার) পরিবর্তনশীল, সেগুলোর ক্ষেত্রে সুদ বা মুনাফার হার বাড়াতে হলে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরে গ্রাহককে এক মাস সময় দিয়ে নোটিস দিতে হবে। এর সঙ্গে গ্রাহককে হালনাগাদ দায়সহ নতুন পরিশোধসূচি (রিপেমেন্ট শিডিউল) সরবরাহ করতে হবে এবং গ্রাহককে ই-মেইল অথবা চিঠির মাধ্যমে তা জানাতে হবে। মঞ্জুরিপত্রের শর্তাবলিতেও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সুদ বা মুনাফার হার বাড়ানোর কারণে গ্রাহক যদি এক মাসের মধ্যে ঋণ বা বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটাতে চান, তাহলে ‘আর্লি সেটেলমেন্ট ফি’ বা অতিরিক্ত কোনো ফি ছাড়াই তা পরিশোধের সুযোগ পাবেন।