স্বাস্থ্য ভালো রাখার কয়েকটি প্রয়োজনীয় টিপস

Print Friendly

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ১ ঘণ্টা অথবা ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন এতে আপনার শরীর অনেক বেশী ভালো থাকবে। প্রতিদিন ব্যায়াম করলে হৃদয় অনেক বেশি ভালো থাকে এতে করে আপনি সারাদিন যে কাজ করুন না কেন আপনি আলাদা শক্তি অনুভব করবেন এবং আপনার কাজের মনোবল ফিরে আসবে আর ক্লান্ত কম হবেন।

১. সকালের নাস্তা অবশ্যই করবেনঃ অনেক গবেষণা করে দেখা যায় যে সকালের নাস্তা অনেক গুরত্তপুরন কেননা আপনি যদি সকালের নাস্তা ঠিক সময়ে না করেন এতে করে আপনার নানাধরনের সমস্যা হতে পারে। আপনি যদি ঠিক সময়ে সকালের নাস্তা করেন তাহলে এটা আপনার শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করবে। নিয়ম মেনে সকালের নাস্তা করতে হবে যেমন ফল অথবা ফলের জুস, ডিম, কম চর্বিযুক্ত দুধ।

২. নিয়ম মেনে ব্রাশ করতে হবেঃ অনেক মানুষ জানেনা কিভাবে ঠিকভাবে ব্রাশ করতে হয় এর ফলে তাদের দাঁতে খাবার জমে থাকে যার জন্য তারা দাঁতের সমস্যায় ভুগেন। ঠিক ভাবে ব্রাশ না করলে এক দিকে যেমন আপনার দাঁতের ক্ষতি হতে পারে অন্যদিকে আপনি নানা ধরনের সমস্যায় পরতে পারেন। প্রায় মানুষ জন ভালো ভাবে দাঁত ব্রাশ করেনা তারা ঠিকভাবে ফ্লওস করেনা এবং তারা ডেন্টিস্ট এর কাছে গিয়ে কোন পরামর্শ নেয়না। আপনি ব্রাশ এমন ভাবে নিবেন যেভাবে আপনি পেন্সিল হাতে নেন কমপক্ষে ২ মিনিট ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করবেন। এইভাবে আপনি যদি দাঁত ব্রাশ করতে পারেন তাহলে আপনার দাতে আর ময়লা থাকবে না। আর একটি জিনিস খেয়াল রাখবেন তাহলো সব সময় ভালো মানের নরম ব্রাশ ব্যাবহার করবেন এটা আপনার দাঁতের জন্য ভালো এবং আপনি আরামদায়ক ভাবে ব্রাশ করতে পারবেন।

৩. টমেটো খেতে পারেনঃ টমেটো আপনাকে ক্যান্সার রোগ থেকে রক্ষ্যা করতে পারবে তাই নিয়মিত খাবারের তালিকায় টমেটো রাখতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি আছে। আপনি সালাদ, পাস্তা, এবং সুপে টমেটো খেতে পারেন। আমেরিকার গবেষণায় দেখা যায় যে টমেটো এবং অ্যাপেল আপনাকে এগস্মা এবং হৃদয় ভালো রাখে। এতে প্রচুর পরিমানে আন্তিওকচিদান্ত থাকে যা আপনার শরীর ভালো রাখে। তাই প্রতিদিন টমেটো খেতে পারেন আর সপ্তাহে ৫ দিন অ্যাপেল খেতে পারেন।

৪. ভিটামিন সি খেতে হবেঃ আমাদের প্রতিদিন কমপক্ষে ৯০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি দরকার। তাই প্রতিদিন ফল অথবা ফলের জুস খেতে হবে তাহলে আমাদের এই চাহিদা পূরণ হবে।

৫. পরিষ্কার পানি খেতে হবেঃ যখন আপনি ব্যায়াম করবেন তখন কন ধরনের কালো পানি খেতে পারবেন না। ব্যায়াম শেষ করার পর পানি খাবেন কিন্তু বেশি খাবেন না তাহলে এটা মারাত্মক হতে পারে। যখন অনেকক্ষণ ধরে হাঁটবেন তখন আপনি কালো পানি খেতে পারবেন কিন্তু জিমে ব্যায়াম করলে অল্প সময়ের জন্য তখন আপনি কোমল পানি খেতে পারেন এটা আপনার শরীরের চাহিদা মেটাবে কারন বায়াম করার ফলে শরীরের গ্লুকস বেরিয়ে আসে এই জন্য পানি খেতে হয়।

এইভাবে যদি আপনি নিয়ম মেনে চলতে পারেন তাহলে আপনার শরীর অনেক বেশি কাজ করতে পারবে এবং আপনি সহজেই ক্লান্ত হবেন না।